রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জী, অজানা বাংলা, আসানসোল: সারা দেশেই পাশাপাশি এরাজ্যেও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। আর সেই করোনার বার বারন্তের জেরে উদ্বিগ্ন দেশের কেন্দ্রীয় সরকার পাশাপাশি উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকারও। ইতিমধ্যে করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো এরাজ্যেও জারি হয়েছে বেশকিছু বিধি নিষেধ। আর সেই বিধি নিষেধ বলেই এ রাজ্যে বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ সহ রাজ্যের সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র গুলি। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে এত কিছু সচেতনতা মূলক ব্যাবস্থা নেওয়ার পরেও কিছু মানুষ এখনো রয়ে গেছে সচেতনতার সেই অন্ধকারেই। শুক্রবার তেমনি দৃশ্য দেখা গেল আসানসোল শহরের বুকে।
যেখানে কোভিডের সমস্ত বিধি নিষেধকে উপেক্ষা করে প্রশাসনের আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। এক দল পর্যটক গাড়িতে বক্স বাজিয়ে এগিয়ে চলছিল আসানসোলে দামোদরের তীরে পিকনিক করার উদ্যেশে। কিন্তু মাঝ পথেই ওই পর্যটকদের গাড়ি পুলিশের নজরে আসে। আর তখনই বক্স বোঝাই ওই পর্যটকদের উল্লাসের সেই ঘটনা সামনে আসে রাস্তায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী দের। আর এর পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ প্রশাসন। আর এর পরেই পর্যটক ভর্তি ওই গাড়িটিকে সাতে সাথেই রাস্তায় পথ আটকায় কর্তব্য রত পুলিশ কর্মীরা। শুধু তাই নয় পুলিশের পক্ষ থেকে ওই পর্যটক দের গন্তব্যে না যেতে দিয়ে তাদের বাড়ি পাঠিয়েও দেওয়া হয় বলে খবর।
যদিও কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে বক্স বাজিয়ে কেন এমন উল্লাস সে বিষয়ে ওই পর্যটকদের জিজ্ঞাসা করা হলে ওই পর্যতকেরা বলেন, করোনা সংক্রামন রুখতে সরকারের পক্ষ থেকে যে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে রাজ্যে। আর সেই বিধি নিষেধ বলেই রাজ্যের সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র গুলি বন্ধ রয়েছে। কিন্তু সেই বিধি নিষেধে নদীর তীরে বা খোলা স্থানে পিকনিক করা যাবে না সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কোথাও কিছু বলা নেই বলে জানায় তারা। আর সেটা না জেনেই আজ বেরিয়ে ছিলাম আমরা পিকনিক করতে।ল
জদিও এ দৃশ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছে কোভিড মোকাবিলায় এক শ্রেণীর সাধারণ মানুষের ভূমিকা নিয়ে। এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে ওই পর্যটক দের বিরুদ্ধে আইন আনুগ কিছু ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি।