নিজেস্ব প্রতিবেদন, অজানা বাংলা: আপনি নিচ্ছই বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। কিম্বা আমাদের রাজ্যের দার্জিলিং গেছেন। বা কালিং পং তাহলে নিচ্ছই সেখানে গিয়ে দেখেছেন সেখান কার সেলফি জোনটি। আর এই সেলফি জোনই এখন দেশের নানান প্রান্তে বেড়াতে গেলে পর্যটকেরা যে জায়গায় সব থেকে ভিড় করে। তা হলো সেখান কার সেলফি জোন। ঠিক যেমন রয়েছে আমাদের রাজ্যের দার্জিলিং সহ বিভিন্ন শহরে। আর এবার সেই সেলফি জোন তৈরি হতে চলেছে মেদিনীপুর শহরেও। এই মেদিনীপুর শহরের কংসাবতী নদীর তীরে গড়ে উঠতে চলেছে এই সেলফি জোন।
জানা গেছে মেদিনীপুর শহরের বুক চিরে চলে গেছে কংসাবতী নদী। আর সেই কংসাবতী নদীর পাড়ে অবস্থিত গান্ধী ঘাট। আর সেই গান্ধী ঘাটের কাছেই নাকি এই সেলফি জোন গড়ে তুলতে চলেছে মেদিনীপুর পৌরসভা। আর সেই সেলফি জোনে লেখা থাকবে ‘আই লাভ মেদিনীপুর'। ঠিক যেমন রয়েছে দার্জিলিং, কালিংপং, কিংবা সিঙ্গাপুরে। এদিকে সূত্রের খবর সেলফি জোন তৈরির কাজ এখন প্রায় শেষের পথে।
সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে যা চলতি বছরের ৩১ শে ডিসেম্বর উদ্বোধনেরও কথা রয়েছে বলে খবর। এদিকে মেদিনীপুর শহরের অন্যতম প্রধান নদী কংসাবতী। আর সেই নদীর তীরে অবস্থিত গান্ধী ঘাট যা নজর করে মেদিনীপুর বাসীর। আর সেই গান্ধী ঘাটের আরো সুন্দর্য্য বাড়াতে মেদিনীপুর পৌর সভার উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এই সেলফি জোন। মূলত কংসাবতী নদী ও তীরবর্তী অঞ্চলের মনোরম পরিবেশ মুগ্ধ করে সকলকেই। আর তাই নদীর পাড়ের সেই মনোরম পরিবেশের কারণেই এই অঞ্চলে ভিড় জমায় সাধারণ পর্যটকেরা।
এদিকে শহরের বুকে এমন সেলফি জোন তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি মেদিনীপুর বাসীরাও। এদিকে মেদিনীপুরের বুকে এ রয়েছে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। যা নজর করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটনদের। তার উপরে এই শীত ও পর্যটনের মরসুমে মেদিনীপুর শহরে যদি সেলফি জোন চালু হয় তা হলে পর্যটন ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে এই শহর।
পাশাপাশি জানা যাচ্ছে নদী ও তীরবর্তী অঞ্চলকে আরও সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলতে মেদিনীপুর পৌর সভার পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে একাধিক উদ্যোগও। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে মেদিনীপুর শহরে সেলফি জোন খুলে যেতে পারে সকলের জন্য।