নিজেস্ব প্রতিবেদন, অজানা বাংলা: আবারও ভূ কম্পে কেঁপে উঠলো দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য। উল্লেখ্য চলতি বছরে বেশ কয়েক বার ছোট বড় নানান ধরনের ভূ কম্পে কেঁপে উঠেছে দেশের বেশ কিছু এলাকা। গত সপ্তাহেই কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর সহ ভূ কম্পে কেঁপে ওঠে সেই রাজ্যের একাধিক শহর। এদিকে সেই ভূ কম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই গত কাল রাতে আবারও ভূ কম্পে কেঁপে উঠলো দেশের লাদাখ, জম্মু কাশ্মীরের বিভিন্ন শহরের বিভিন্ন এলাকা। প্রসঙ্গত চলতি বছরের গত নভেম্বর মাসেও শক্তিশালী ভূ কম্পে কেঁপে উঠেছিল ভারত মায়ানমার সীমান্তের বেশ কিছু এলাকা।
জানা যাচ্ছে গত কাল সোমবার রাতে প্রথম ভূ কম্পনটি অনুভূত হয় লাদাখ ও জম্মু কাশ্মীরের বিভিন্ন শহরের বিভিন্ন এলাকায়। এদিকে রাতে হঠাৎ করে এই ভু কম্পনের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে কাশ্মীর ও লাদাখে বেড়াতে যাওয়া বহু পর্যটকদের মধ্যেও। ভূ কম্পের আতঙ্কে বেশকিছু পর্যটক হোটেল ছেড়ে নিচে নেমে আসে লাদাখে। জানা গেছে রিকটার স্কেলে সোমবার রাতের ওই ভূ কম্পের মাত্রা ছিল ৫.৩। তবে এই ভূ কম্পনের স্থায়িত্ব কতক্ষণ ছিল সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। এদিকে এদিনের এই ভূ কম্পের কম্পন অনুভূত হয় শ্রীনগর, কাশ্মীর ও লাদাখের বিভিন্ন স্থানে।
মূলত দেশের মধ্যে দিয়ে চলে যাওয়া দুই ভু গর্ভস্থ প্লেটের ধাক্কার ফলেই এই ভূমিকম্প বলে মনে করছে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে শ্রীনগর থেকে ১৩১ কিলো মিটার উত্তরে গিলগিট বাল্টিস্তানের কাছে ছিল এই ভূ কম্পের উৎস স্থল। তবে এদিনের এই ভূ কম্পনের জেরে হতাহতের খবর এখনো কোনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে চলতি বছরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা একাধিক বার কেঁপে ওঠে ভূমিকম্পে। আর যা প্রশ্ন তুলেছে ভারতের মতো দেশে এত ঘন ঘন ভূ কম্প ঠিক কি কারণে। যদিও ভূ বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় ভূ গর্ভস্থ দুই প্লেট সব সময় চলমান। আর এই চলাচলের সময় যদি দুই প্লেটের কোন একটা অংশ অপর অংশের সঙ্গে ধাক্কা খায় তখনই সৃষ্টি হয় কম্পন। তবে সেই কম্পনের মাত্রা কতটা হবে তা ওই দুই প্লেটের ধাক্কার প্রকৃতির উপরেই নির্ভর করে।