রমিত সরকার , নদীয়া: নদীয়া ৩৭তম বইমেলায় চলছে দুই বাংলার শিল্পী স্মরণে চিত্রপ্রদর্শনী ।
শিল্পগুরু অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতবর্ষ ও বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী শেখ মহম্মদ সুলতানের ৯৭ তম জন্মবর্ষে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই প্রদর্শণীর আয়োজন করা হয়েছে।
কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে শুরু হয়েছে ৩৭ তম নদীয়া বইমেলা। মেলা শুরু হয়েছে ৫ ডিসেম্বর চলবে ১২ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত। দুদিন অতিবৃষ্টি মেলার বাধা হয়ে দাঁড়ালেও, সরকারী নিয়ম মেনে মেলা ৫ তারিখ শুরু হয়।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ” মোদের গরব, মোদের আশা,আমরি বাংলা ভাষা” এই আঙ্গিকে আয়োজিত। তত্বাবধানে আছে গ্রন্থাগার পরিষেবা অধিকার,পশ্চিমবঙ্গ জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার উদ্বোধন করেন জনাব সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, মাননীয় মন্ত্রী,জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগ,কারামন্ত্রী উজ্বল বিশ্বাস,জেলা সভাধিপতি রিক্তাকুন্ডু, বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায়,কৃষ্ণনগর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক নরেশ চন্দ্র দাস,সভাপতি সমন্বয় উপসমিতি শিবনাথ চৌধুরী মহাশয় এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মোট ৬৮ টি বই এর ষ্টল তাদের বই সাজিয়ে বসেছে এই মেলায়,প্রতিদিন চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,কবিতাপাঠ,গান,নাচ।মেলার মূল আকর্ষন ছবির প্রদর্শণী।প্রদীপ ও নৌকা ভাসিয়ে প্রদর্শণীর উদ্বোধন করেন সভাপতি সমন্বয় উপসমিতি শ্রী শিবনাথ চৌধুরী মহাশয়।কৃষ্ণনগর এই প্রদর্শণী এইবছর নয় বছরে পদর্পন করলো। শহরের চারুকলার সাথে যুক্ত মোট পনেরো জন শিল্পী প্রদর্শণীটি তাদের রঙ তুলিতে নান্দনিক রুপদিয়েছেন।প্রদর্শনীর মূল আকর্ষণ সরা পট যা গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া শিল্পকে মানুষের মাঝে তুলে ধরেছে।প্রদর্শণীটি এবছর শিল্পগুরু অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী শেখ মহম্মদ সুলতান স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা দেখতে ভীড় জমাচ্ছেন জেলার বহু বইপ্রেমী মানুষ।