BREAKING

Monday, 10 January 2022

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে আসানসোলের দেন্দুয়ায় শ্রমিকদের হাতে তুলে ধরা দেওয়া হলো শীত বস্ত্র


রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জী, অজানা বাংলা, আসানসোল: রাজ্যে চলছে শীতের প্রকোপ। আর শীতের সেই ঠান্ডায় কাঁপছে সমগ্র পূর্ব ভারত। পাশাপাশি এরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলা গুলিতেও বাড়ছে শীতের প্রকোপ। বিশেষত পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ও দুই বর্ধমানের একাধিক এলাকা। আর সেই ভরা শীতে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের শরীরের ঠান্ডা দূর করার জন্য মেলেনা সামান্য একটু শীত বস্ত্রও। আর তাই সেই সমস্ত অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের কথা মাথায় রেখে তাদের জন্য এগিয়ে এলো এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সোমবার পশ্চিম বর্ধমানের দেন্দুয়া পঞ্চায়েত সংলগ্ন এলাকায় সেই সমস্ত অসহায় মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিল এক বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন ওই এলাকার এক বেসরকারি কারখানার সামনে ওই কারখানার প্রায় পঞ্চাশ জন মহিলা শ্রমিকের হাতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় নতুন শাড়ি।
পাশাপাশি ওই কারখানার কর্মরত প্রায় পঞ্চাশ জন পুরুষ শ্রমিকের হাতে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি তুলে দেয় শীত বস্ত্র কম্বল। আর সোম বারের এই শাড়ি ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাদক্ষ তথা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মোঃ আরমান। পাশাপাশি এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিং, দেন্দুয়া আঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মনোজ তেওয়ারী, দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য চন্দন রাজাক, ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মবিন খান, নরেন্দ্র খোসলা, শঙ্কর ঘোষ,বিষ্ণু বাহাদুর সহ আরো অনেকে।
আর এদিনের এই শাড়ি ও কম্বল দান প্রসঙ্গে পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মা দক্ষ মোঃ আরমান বলেন, এলাকার বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়ের নির্দেশে দেন্দুয়া সংলগ্ন এলাকার এক বেসরকারি কারখানার প্রায় একশো জন মহিলা ও পুরুষ শ্রমিকদের মধ্যে। এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হলো কম্বল ও নতুন শাড়ি। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, এই এলাকার সমস্ত কারখানার মালিকদের উচিত নিজেদের সিএসআর ফান্ড থেকে খরচ করে এই করোনা মহামারীতে গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আর তার জেরে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন ওই সমস্ত অসহায় শ্রমিক পরিবার গুলো। এদিকে শীতের সময় নতুন শাড়ি ও শীত বস্ত্র মেলায় খুশি ওই অসহায় শ্রমিক পরিবার গুলিও।