BREAKING

Thursday, 9 December 2021

"সবং" এর মাদুর শিল্প


নিজেস্ব প্রতিবেদন: মন্দুরা থেকে সম্ভাব্যত উৎপত্তি হয়েছে মাদুরের নাম। আর এই মাদুর শিল্পের জন্য মূল উপাদান আসলে এক প্রকার লম্বা তৃন যা মাদুর কাঠি নামে খেত। সাধারণত পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে চাষ হয় এই মাদুর কাঠির। তবে উত্তর ২৪ পরগণা ও হাওড়ার কিছু অংশে চাষ হয় এই মাদুর কাঠির।
তবে বাংলায় সাধারণত তিন প্রকার মাদুর দেখতে পাওয়া যায় তা হল যথাক্রমে একহরা, দুহরা আর মসলন্দ। তবে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং, তেমাথানি, কুচবসান, বালিচক ও দশাগ্রমে বোন হয় মাদুর। সাধারণত এই সমস্ত অঞ্চল গুলিতে একহরা মাদুর বোনা হয়। সাধারণ এই সমস্ত অঞ্চলের বোনা এই মাদুর গুলি দেখতে রঙ্গিন হয় তেমনি অনেক বেশি সুন্দর হয়। কারণ সবং ও তৎসংলগ্ন এই অঞ্চলের কারিগরদের বোনা মাদুর সারা রাজ্যের মানুষের কাছে ক্ষেতি অর্জন করেছে। তবে সবং এর মতো এগড়ার কিছু এলাকায় তৈরি হয় মাদুর। পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট,দেগঙ্গা, বাদুড়িয়া। হাওড়ার আমতা ও উদয়নারায়নপুর ও আমতার কিছু অংশেও বোনা হয় এই মাদুর।
তবে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং এর মহাড়ে এক বিশেষ মাদুর বোনা হয় লোক মুখে যার নাম চালা। এই মাদুর কিন্তু ওই অঞ্চলের দোহারা মাদুরের মতোই উন্নত কৃষ্ট শ্রেষ্ঠ মাদুর। তবে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় সবং ও সংলগ্ন এলাকার মাদুর শিল্পীরা মাদুর কাঠিতে অনেক সময় রঙেরও ব্যাবহার করে থাকে মাদুরকে আরো বেশি সুন্দর করার জন্য।